• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
Headline
নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৫ম গ্লোবাল বিজনেস সামিট ২০২৬ দেশের বিউটি ও লাইফস্টাইল শিল্পে এক সংগ্রামী নারীর গল্পগাথা -তাসলিমা চৌধুরী কনা আলম সাকিফ শামীম – ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিএফবি গ্রুপকে সুগন্ধি ও ওডোর নিউট্রালাইজিং প্রযুক্তিতে বিশ্বের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দেখতে চাই -গোলাম ফারুক ভূঁইয়া বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি ঢাকার নতুন কমিটি গঠন মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে বিজিএমইএ এর নতুন পরিচালনা পর্ষদ বিজিএমইএ এর দায়িত্ব গ্রহন করেছেন টেকসই উন্নয়ন অর্জনে শিক্ষা খাতে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ, গবেষণা ও নীতি প্রণয়ন জরুরি -অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন ডা. সিনথিয়া আলম ত্বকচর্চার নতুন দিগন্তের পথপ্রদর্শক কানাডায় নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য নীতিগত সহায়তা ও সরকারি সহযোগিতা নিশ্চিত করছি -আরিফুর রহমান, P.Eng. ৩৯তম ফোবানা সম্মেলনের প্রচারে নিউইয়র্ক সফরে হোস্ট কমিটি

কিশোর কালের বর্ষার স্মৃতি 

Reporter Name / ২৯৬ Time View
Update : শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১

কিশোর কালের বর্ষার স্মৃতি

 

আনোয়ার হোসেন মুকুল
কিশোর বয়সে যখন স্কুলে পড়তাম সেই ছোট বেলার বর্ষার কতো আনন্দ স্মৃতি এখনো চোখে ভাসে। সমবয়সী জেঠাত ভাই নিসার কে নিয়ে
ছোটবেলায় পুকুরে পানিতে ডুবাডুবি করার সময় যদি আকাশ কালো করে মেঘ হতো, পৃথিবীটা কেমন অচেনা স্বপ্নের জগৎ হয়ে উঠত, তখন বৃষ্টির জন্যে অপেক্ষা করতাম। বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলে পুকুরের পানিতে গলা ডুবিয়ে বৃষ্টি দেখতাম। পুকুরের পানিতে বৃষ্টি পরলে কেমন লাগে তা অনুভব করার জন্য আমরা দুজন ডুব মেরে পানির ভিতর থেকে চোখ খুলে উপরের তাকিয়ে থাকতাম। বৃষ্টির বড় বড় ফোঁটা পানিতে পরে যে আলোড়ন সৃষ্টি করতো তার সৌন্দর্য প্রকাশ করার ভাষা আমার জানা নেই। এক একটা বড় ফোঁটা পানিতে পরলে পানি অনেক দূর ডেবে গিয়ে গোলাকার বৃত্ত তৈরি করতো। এইভাবে হাজার হাজার বৃত্ত চোখের সামনে পানির নীচ থেকে দেখতাম। বৃষ্টির একজাতীয় রিনিঝিনি টুংটাং শব্দ মনের আনন্দ বাড়িয়ে দিতো। নিঃশ্বাস নিয়ে আবার ডুব দিতাম। পানির নীচ থেকে দুই কিশোরের বৃষ্টির এই সৌন্দর্য দেখার খবর পৃথিবীর কেউ জানতো না। জানার কথাও না। বৃষ্টি কে ভালোবেসে পানির নীচ থেকে বৃষ্টির অবগাহন। পানির নীচ থেকে মেঘ ডাকার প্রচন্ড শব্দ শুনতাম। তারপর পানি থেকে উঠে পাড়ে বসে থাকতাম। মেঘের গর্জনে পানি থেকে কৈ মাছ উঠা শুরু করতো আর আমি আর নিসার দ্রুত ঐসব কৈ মাছ গুলো ধরে ধরে মাটির গর্তে জমা করতাম। পুকুর পাড়ের কোন ফাঁক দিয়ে বাহিরের পানি যদি পুকুরে ঢুকতে তখন আমরা সেখানে একটা আনতা চাই ( মাছ ধরার এক জাতীয় বাঁশের তৈরি খাঁচা) বসিয়ে দিতাম। ঘন্টা খানিক পরে এসে দেখতাম ঐ আনতা চাই কাঁচকি মাছে পুরে গেছে। সেই আনন্দময় সময় গুলো এখন শুধুই স্মৃতি, যেটা নিয়ে বেঁচে আছি এখনো। সবাইকে বর্ষার শুভেচ্ছা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category