• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
Headline
২৮-২৯ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬ ‘থিংক বাংলাদেশ’ স্লোগানে ঢাকায় এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬ ২০২৬-২০২৮ মেয়াদে এনআরবি ওয়ার্ল্ডের নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা মোহাম্মদ শহীদুজ্জামান, সভাপতি মোয়াজ্জেম এইচ. চৌধুরী, মহাসচিব ২৮-২৯ ডিসেম্বও ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে এনআরবি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬ সিঙ্গাপুরে আজ ‘বাংলাদেশ রেমিট্যান্স সম্মাননা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৫ম গ্লোবাল বিজনেস সামিট ২০২৬ দেশের বিউটি ও লাইফস্টাইল শিল্পে এক সংগ্রামী নারীর গল্পগাথা -তাসলিমা চৌধুরী কনা আলম সাকিফ শামীম – ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিএফবি গ্রুপকে সুগন্ধি ও ওডোর নিউট্রালাইজিং প্রযুক্তিতে বিশ্বের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দেখতে চাই -গোলাম ফারুক ভূঁইয়া বগুড়া মিডিয়া অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি ঢাকার নতুন কমিটি গঠন

কিশোর কালের বর্ষার স্মৃতি 

Reporter Name / ৩৯৯ Time View
Update : শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১

কিশোর কালের বর্ষার স্মৃতি

 

আনোয়ার হোসেন মুকুল
কিশোর বয়সে যখন স্কুলে পড়তাম সেই ছোট বেলার বর্ষার কতো আনন্দ স্মৃতি এখনো চোখে ভাসে। সমবয়সী জেঠাত ভাই নিসার কে নিয়ে
ছোটবেলায় পুকুরে পানিতে ডুবাডুবি করার সময় যদি আকাশ কালো করে মেঘ হতো, পৃথিবীটা কেমন অচেনা স্বপ্নের জগৎ হয়ে উঠত, তখন বৃষ্টির জন্যে অপেক্ষা করতাম। বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলে পুকুরের পানিতে গলা ডুবিয়ে বৃষ্টি দেখতাম। পুকুরের পানিতে বৃষ্টি পরলে কেমন লাগে তা অনুভব করার জন্য আমরা দুজন ডুব মেরে পানির ভিতর থেকে চোখ খুলে উপরের তাকিয়ে থাকতাম। বৃষ্টির বড় বড় ফোঁটা পানিতে পরে যে আলোড়ন সৃষ্টি করতো তার সৌন্দর্য প্রকাশ করার ভাষা আমার জানা নেই। এক একটা বড় ফোঁটা পানিতে পরলে পানি অনেক দূর ডেবে গিয়ে গোলাকার বৃত্ত তৈরি করতো। এইভাবে হাজার হাজার বৃত্ত চোখের সামনে পানির নীচ থেকে দেখতাম। বৃষ্টির একজাতীয় রিনিঝিনি টুংটাং শব্দ মনের আনন্দ বাড়িয়ে দিতো। নিঃশ্বাস নিয়ে আবার ডুব দিতাম। পানির নীচ থেকে দুই কিশোরের বৃষ্টির এই সৌন্দর্য দেখার খবর পৃথিবীর কেউ জানতো না। জানার কথাও না। বৃষ্টি কে ভালোবেসে পানির নীচ থেকে বৃষ্টির অবগাহন। পানির নীচ থেকে মেঘ ডাকার প্রচন্ড শব্দ শুনতাম। তারপর পানি থেকে উঠে পাড়ে বসে থাকতাম। মেঘের গর্জনে পানি থেকে কৈ মাছ উঠা শুরু করতো আর আমি আর নিসার দ্রুত ঐসব কৈ মাছ গুলো ধরে ধরে মাটির গর্তে জমা করতাম। পুকুর পাড়ের কোন ফাঁক দিয়ে বাহিরের পানি যদি পুকুরে ঢুকতে তখন আমরা সেখানে একটা আনতা চাই ( মাছ ধরার এক জাতীয় বাঁশের তৈরি খাঁচা) বসিয়ে দিতাম। ঘন্টা খানিক পরে এসে দেখতাম ঐ আনতা চাই কাঁচকি মাছে পুরে গেছে। সেই আনন্দময় সময় গুলো এখন শুধুই স্মৃতি, যেটা নিয়ে বেঁচে আছি এখনো। সবাইকে বর্ষার শুভেচ্ছা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category